বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং, সকাল ৯:৩৯
শিরোনাম :
বরিশালে হাফেজ শিক্ষার্থীদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স সম্পন্ন, সনদ ও বই বিতরণ নলছিটিতে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও গণমাধ্যম সচেতনতায় তরুণ-তরুণীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত তারুণ্যের নলছিটির ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বরিশালে সাগরদী মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেনকে ফের হয়রানী, সুষ্ঠু তদন্ত দাবি! ২৮ অক্টোবর ইতিহাসের এক জঘন্যতম কালো অধ্যায়: অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু সরকার বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য সরকারের: আইসিটি মন্ত্রী সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ ও ডিজিটাল সচেতনতায় নলছিটিতে সংলাপ অনুষ্ঠিত বরিশালে সুদ ও তাবিজ বিতর্কে মসজিদের ইমাম: পরিবর্তনের দাবি দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর :কনস্যুলেটের দুর্বলতা ছিল কিনা,জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

ভোলায় ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা

ভোলা প্রতিনিধি:ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসান নগর ইউনিয়ন মির্জাকালু কাজিরহাট বাজারে পাওনাদারদের দেনা পরিশোধ করতে না পেরে মোঃ নূরনবী(৫৫) নামের এক মুদি ব্যবসায়ী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (২ সেপ্টেম্বর)) সকালে পুলিশ নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে গলায় ফাঁস অবস্থায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করে।

নিহত নূরনবী উপজেলার হাসান নগর ইউনিয়নস ০৭ নং ওয়ার্ড মির্জাকালু কাজিরহাট এলাকার মৃত ফজলে রহমান ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের ভাই রুহুল আমিন জানান, নূরনবী দীর্ঘদিন ধরে মির্জাকালু কাজিরহাট বাজারে মুদি দোকার করেন। ব্যবসা করতে গিয়ে স্থানীয়দের কাছে প্রায় ৫/৬ লাখ টাকা বাকী পরে যায়। কিন্তু সে বকেয়া টাকা উঠাতে না পারায় ব্যবসায় তার সমস্যা হচ্ছিল।

এ অবস্থায় বাধ্য হয়ে তিনি বিভিন্ন লোকজন এ এনজিও কাছ থেকে সুদে প্রায় ৭/৮ লাখ টাকা ঋণ নেন। কিন্তু আবারো ক্রেতাদের কাছে টাকা বাকী পরে যায়। এত ঋণের টাকা পরিশোধ করতে সমস্যা হচ্ছিল তার। গত কয়েকদিন ধরে এনজিও ও পাওনাদারেরা টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দিচ্ছিল।

তারা আরো জানান, একদিকে টাকা পরিশোধের চাপ, অন্যদিকে দোকানে মালামাল না থাকায় বেচা-বিক্রি হচ্ছে না। এছারা বকেয়া টাকাও উঠছে না এতে তিনি প্রচন্ড মানসিক চাপে ছিলেন। এসব হতাশা থেকে তিনি সোমবার ভোর রাতে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আড়ার সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

এ সময় নিহতের দোকানে তারই লিখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। যেখানে লিখা ছিলো, “আমি একজন দেনাদার। আমার কাছ থেকে বিভিন্ন এনজিও সংস্থা লাখ লাখ টাকা পাবে এবং আমিও স্থানীয়দের কাছে বকেয়া থেকে প্রায় ৫-৭ লাখ টাকা পাবো। কিন্তু আমার পাওনা টাকা কেউই দিচ্ছে না। তাই আমার ঋণ পরিশোধ করতে না পেরে নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে চিরতরে চলে গেলাম। আমার এ আত্মহত্যার জন্য কেউই দায়ী নন।

বোরহাউদ্দিন থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মু. এনামুল হক জানান, সকালের দিকে নূরনবীর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পেয়ে স্ত্রী চিৎকার করতে থাকলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। পরে থানায় জানানো হয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করেন।